নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। গত ২১ আগস্ট বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার পর তিনি ২৩ আগস্ট সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার অধিকারী ড. আবদুল মঈন খান দেশের রাজনীতিতে একজন শিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও মার্জিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। এর আগে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থনীতি, শিক্ষা, প্রশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন বিষয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ড. মঈন খানের পিতা প্রয়াত আবদুল মোমেন খানও ছিলেন দেশের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারের খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা প্রতিষ্ঠার ইতিহাসও সম্পৃক্ত বলে স্থানীয়ভাবে উল্লেখ করা হয়।
দেশপ্রেম ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রত্যাশা
ড. আবদুল মঈন খানকে নিয়ে নরসিংদীবাসীর প্রত্যাশাও ব্যাপক। স্থানীয়দের অনেকের মতে, তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন—দেশের স্বার্থে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া একজন দেশপ্রেমিক ও অকুতোভয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকা ভবিষ্যতেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে—এমন প্রত্যাশা তাঁদের।
কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের প্রতি তাঁর দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতার বিষয়টিও নরসিংদীর মানুষের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর তৃণমূলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।
সচিবালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. মঈন খান নিজেও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে কাজ করে এবং জনগণকে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে দরিদ্র মানুষের সেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
নতুন দায়িত্বের শুরুতেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ড. মঈন খান। তিনি বলেছেন, কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সংবিধান ও জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ড. আবদুল মঈন খানকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় নরসিংদীতে আনন্দ ও আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
নরসিংদীবাসীর প্রত্যাশা—ড. মঈন খানের অভিজ্ঞতা, সততা, দেশপ্রেম ও তৃণমূল মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন আরও শক্তিশালী হবে। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের অধিকার ও কল্যাণে তাঁর নেতৃত্ব নতুন আশার সৃষ্টি করবে।
দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁর নতুন দায়িত্ব সফল হোক—এমন প্রত্যাশাই এখন নরসিংদীবাসীর।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান, আনন্দিত নরসিংদীবাসী
