🔴 ব্রেকিং
কোটালীপাড়ায় হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি শেখাতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি। বরিশালে বায়োগ্যাস প্লান্ট উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট নওগাঁর মান্দা শ্রীরামপুর ঋষি পাড়া মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধারসহ পলিরানী নামে এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার দোহারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ‘তারুণ্যের কণ্ঠ’ অনুষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী নামের আড়ালে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ক্ষুণ্ন হচ্ছে দলের ভাবমূর্তি!! তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনারের সাক্ষাৎ বরেণ্য সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভার আয়োজন বান্ধাবাড়িতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহবুব, লক্ষ্য মাদক মুক্ত সমাজ কুশলায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সবুজ ফকির, অগ্রাধিকার মাদকমুক্ত সমাজ গঠন

বেনাপোলে ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে পাঠাল ইমিগ্রেশন

👤 🕐 ✏️ আপডেট: 👁 62 বার পড়া হয়েছে ⏱ 2 মিনিট পড়তে হবে
বেনাপোলে ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু: আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতে পাঠাল ইমিগ্রেশন

 

মেহেদী হাসান রিপন, স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশে বেড়াতে এসে স্ট্রোক করে মারা যাওয়া ভারতীয় নাগরিক গৌতম মিস্ত্রির (৫৫) মরদেহ আইনি জটিলতা ও দূতাবাসের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র সম্পন্ন করে অবশেষে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তার স্ত্রী জাহানারা মিস্ত্রি স্বামীর মরদেহ নিয়ে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
মৃত গৌতম মিস্ত্রি কলকাতার ৭৮/১, কালিয়া নগর সুরাইয়া সেন পল্লির রমনী মিস্ত্রির ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর T-3361611।

ইমিগ্রেশন ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে স্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশে বরিশালে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন গৌতম মিস্ত্রি। ভ্রমণ শেষে গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভারতে ফেরার উদ্দেশ্যে তারা বেনাপোল পৌঁছান। কিন্তু বাস থেকে নামার পরপরই তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

হঠাৎ মৃত্যুর ঘটনায় প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ ও কাগজপত্র না থাকায় সাথে সাথে মরদেহ ভারতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট, থানার সাধারণ ডায়েরির (জিডি) কপি এবং ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ করা হয়। সব ধরনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শুক্রবার সকালে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে মরদেহ নিয়ে দেশে ফেরার অনুমতি দেয়।

স্বামীর অকাল মৃত্যু ও চরম অর্থসংকটে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী জাহানারা মিস্ত্রি। তিনি জানান, বিপদের মুহূর্তে তার কাছে কোনো টাকা ছিল না। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও বেনাপোল ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা ঢাকা আসা-যাওয়া, খাবার ও মরদেহ পরিবহনের সমস্ত খরচ বহন করেছেন। বাংলাদেশি মানুষের এই বিরল মানবিকতায় তিনি অশ্রুসজল কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক নথি ও দূতাবাসের ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সার্বিক সহায়তা দিয়ে মরদেহ ভারতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন: 📘 Facebook 𝕏 Twitter
Mijanur Rahman
Mijanur Rahman
ক্রাইম পেট্রোল নিউজের সংবাদদাতা।
সব লেখা দেখুন →

💬 মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

f 📲 𝕏