নিজস্ব প্রতিবেদক: দিনটি ছিল ২৫ মে ২০২৫। সেদিন রাতে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার নীলক্ষীয়া ইউনিয়নে একজন গৃহবধূ একটি বাসায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযোগ পেয়েই বিনাবিলম্বে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে পড়ে। তদন্তভার নেন বকশীগঞ্জ থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) জনাব খন্দকার শাকের আহমেদ। নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে মামলার আলামত যত্ন করে বিধি মোতাবেক জব্দ করেন। দক্ষতার সাথে এক এক করে সাত সাতজন আসামী গ্রেফতার করেন। প্রকৃত সত্য নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে তুলে আনেন। পরবর্তীতে তিনি বদলী হয়ে গেলে তদন্তভার গ্রহণ করেন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) জনাব মকবুল হোসেন। নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিরবিচ্ছিন্নভাবে পরিশ্রম করে সংগ্রহ করেন অপরাধ সংশ্লিষ্ট সকল বিশেষজ্ঞ মতামত, ডিএনএ রিপোর্ট। তদন্ত শেষে ন্যায় বিচার নিশ্চিতকল্পে তদন্তকারী কর্মকর্তা একটি স্বচ্ছ ও সাবলীল অভিযোগপত্র পেশ করেন বিজ্ঞ আদালতে। বিজ্ঞ নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করে সাতজনকে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন।
