তারিখ: ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
ডেস্ক রিপোর্ট, Crimepatrol.news
টাঙ্গাইল: বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি কৃষির ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এ দেশের কৃষক সচ্ছল থাকলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকবে। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি এবং আমাদের সরকার বিশ্বাস করে যে, কৃষক যদি বেঁচে থাকে এবং ভালো থাকে, তবেই দেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হলো কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যেই আমরা ‘কৃষক কার্ড’ চালু করেছি।” অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি ১০টি বিশেষ সুবিধা প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাবে। দেশের মানুষের সঙ্গে কৃষির গভীর সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা যারা আজ এখানে উপস্থিত আছি, আমাদের প্রত্যেকের পরিবারের কেউ না কেউ সরাসরি কৃষির সাথে যুক্ত। অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রধান স্তম্ভই হলো কৃষি।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন চেপে টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন প্রান্তিক কৃষকের মোবাইলে আড়াই হাজার টাকা করে সরাসরি পাঠিয়ে দেন। এটি ছিল সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে কৃষকদের সেচের পানির অভাব দূর করা যায়।” অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ৫ জন কিষাণ-কিষাণির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন। এসময় তিনি হাসিচ্ছলে বলেন, “এই গাছের চারা বড় হলে এর ফল কিন্তু আমার জন্য পাঠাবেন।” আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান। কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে এই ‘কৃষক কার্ড’ কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আপনি মনে করেন? মন্তব্য করুন আমাদের ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটে।


Good