🔴 ব্রেকিং
কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাবে অতিষ্ঠ মানুষের জনজীবন ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল নড়াইলের লোহাগড়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগে স্ত্রী আটক চট্টগ্রামে শিশু মাহফুজ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড, বর্ষা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু শিপমেন্ট নেওয়ার পর বিল পরিশোধ না করার অভিযোগ: জেমস সোয়েটার লি.-এর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি গোপালগঞ্জ সদর থানায় ওসি মোহাম্মদ আনিসুর রহমানকে বিদায় সংবর্ধনা গোপালগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে পুলিশের সাব-ইনস্পেক্টরের মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী ও শ্বশুর পুলিশ হেফাজতে বৃক্ষরোপন সাজাই দেশ,সবার আগে বাংলাদেশ-প্রতিপাদ্যে গোপালগঞ্জে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও মেলা বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান নৌপরিবহন মন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামে আটক স্ক্র্যাপ জাহাজ, সংকটে শিপব্রেকিং শিল্প

👤 🕐 ✏️ আপডেট: 👁 39 বার পড়া হয়েছে 2 মিনিট পড়তে হবে
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামে আটক স্ক্র্যাপ জাহাজ, সংকটে শিপব্রেকিং শিল্প

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ঃ

ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে চট্টগ্রামে ভাঙার জন্য আমদানি করা একটি কেমিক্যাল ট্যাংকার জাহাজ আটকে গেছে। ফলে দেশের জাহাজ ভাঙা শিল্পে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রায় ৬১ কোটি টাকা মূল্যের ‘মেমেই’ নামের জাহাজটি বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে এবং এটি ভাঙার ইয়ার্ডে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজটি আমদানি করেছে শওকত আলী চৌধুরীর মালিকানাধীন এসএন করপোরেশন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি পরে জানাজানি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি এখন জাহাজটি মূল মালিকের কাছে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জাহাজটি আর বিচিং করা হবে না। নিষেধাজ্ঞার তথ্য আগে জানা গেলে প্রতিষ্ঠানটি এটি কিনত না। বর্তমানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
আন্তর্জাতিক জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ৪৪ হাজার ৮০০ টন ধারণক্ষমতার ‘মেমেই’ (আইএমও: ৯১৩৩০৮২) গত ২২ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়। ১৯৯৭ সালে নির্মিত পালাউ-পতাকাবাহী জাহাজটি দীর্ঘদিন ধরে তেল ও রাসায়নিক পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
গত ২৮ মে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) জাহাজটিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জাহাজটি ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে অংশ নিয়েছিল। একই সঙ্গে এর নিবন্ধিত মালিক হংকংভিত্তিক এভার শাইনিং লিমিটেডকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।
বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজটির স্ক্র্যাপ মূল্য প্রায় ৪৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি ৮৮ লাখ টাকার সমপরিমাণ। নিষেধাজ্ঞার কারণে জাহাজটি ভাঙা সম্ভব না হওয়ায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও কমপ্লায়েন্স ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজ ক্রয়ের ক্ষেত্রে আরও কঠোর যাচাই-বাছাই না করলে দেশের শিপব্রেকিং শিল্প ভবিষ্যতে বড় ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

শেয়ার করুন: 📘 Facebook 𝕏 Twitter
Mijanur Rahman
Mijanur Rahman
ক্রাইম পেট্রোল নিউজের সংবাদদাতা।
সব লেখা দেখুন →

💬 মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

f 📲 𝕏