🔴 ব্রেকিং
বাউফলে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক আওয়ামী দাপটে প্রতারনায় নিয়োগ পরিক্ষা আয়ার চাকু্রী পেল মাদ্রাসায় সুফিয়া খাতুন বেগমগঞ্জে সহস্রাধিক ইয়াবা সহ মাদক কারবারি মাহফুজ গ্রেপ্তার কোটালীপাড়ায় বিএনপি নেতার পৌর মেয়র নির্বাচনের মত বিনিময় ও ভোট প্রার্থনা জনমুখী প্রচারকে বেগবান করবে ‘জিপিএমএস’ -গণযোগাযোগ মহাপরিচালক চায়ের দোকানের সামনে ডিবির অভিযান ইয়াবা সহ যুবক গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামে নাগেশ্বরীতে গভীর রাতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার মাতৃবিয়োগের অমলিন শূন্যতা: মায়ের আত্মার শান্তি কামনায় এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকারের প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সার সংকট নিরসনে প্রশাসন-বিএনপির মতবিনিময় দিনাজপুর বীরগঞ্জে নবনির্মিত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন খুলে গেল যোগাযোগের নতুন দুয়ার

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাক্যান্টিন থেকেই প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা গুনে গুনে নেন ডিআইজি মোঃ কামাল

👤 🕐 ✏️ আপডেট: 👁 110 বার পড়া হয়েছে 3 মিনিট পড়তে হবে
রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাক্যান্টিন থেকেই প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা গুনে গুনে নেন ডিআইজি মোঃ কামাল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কারা ক্যান্টিন থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকার মুনাফা গোপন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কারা উপ মহা পরিদর্শক রংপুর বিভাগ(ডিআইজি) মোঃ কামালের বিরুদ্ধে।অভিযোগ রয়েছে, ক্যান্টিনের প্রকৃত আয় সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি হলেও কাগজে-কলমে কম দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করা হচ্ছে।
এক অনুসন্ধানে দেখাযায়, রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কারা ক্যান্টিন থেকে প্রতি মাসে ৮/৯ লাখ টাকারও বেশি মুনাফা অর্জিত হলেও সরকারি হিসাবপত্রে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার বেশি দেখানো হয় না। ফলে অবশিষ্ট অর্থের বড় একটি অংশ আত্মসাৎ করেন এই কারা বিভাগের কর্মকর্তা বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে কারা মহাপরিদর্শকের (আইজি প্রিজনস) নির্দেশনা অনুযায়ী কারা কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গবাদিপশু পালন ও এ সংক্রান্ত কার্যক্রমে কঠোর নীতিমালা থাকলেও কারা উপমহা পরিদর্শকে সরকারি বাংলোতে কারারক্ষীদের দিয়ে ২৫ থেকে ৩০ টি ভেড়ার খামার পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, কারারক্ষীদের উন্নয়নমূলক কাজে নিয়োজিত না করে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই কারা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরও অভিযোগ নিজ এলাকার লালমনিরহাট হওয়ায় এবং রংপুরে নিজের ভাইয়ের বাড়ি আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি থাকায় অনেকটা এলাকাভিত্তিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। তবে এই কারা কর্মকর্তার রয়েছে সুনাম দক্ষতার সাথে পরিচালনা করে আসছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুল এমন একজন দক্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি কতটা সত্যটা নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্তে-ই বেরিয়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নন-কমিশন কারা কর্মকর্তা জানান, “কারাগারের অভ্যন্তরে আগের মতোই নানা অনিয়ম চলছে। বন্দীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যসামগ্রীর মান ও পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে কারা ক্যান্টিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যদ্রব্য দ্বিগুণ বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হয়। এক কেজি গরুর মাংস ১,৫০০ টাকা এবং এক কেজি বয়লার মুরগির মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে ক্যান্টিন থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা লাভ হলেও হিসাবপত্রে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা দেখানো হয়।”
তিনি আরও বলেন, “এসব অনিয়মের সুবিধা ভোগ করেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আর আমাদের চাকরি রক্ষা করেই চলতে হয়। সামান্য ভুল করলেও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়।”
কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন কারাগারের ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানোর ফলে আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্যান্য কারাগারে যখন ক্যান্টিন পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দ্বিগুণ-তিনগুণ আয় বৃদ্ধির নজির তৈরি হয়েছে, তখন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ক্যান্টিন ব্যবস্থাপনা কেন কার্যকর নজরদারির বাইরে রয়েছে—সে প্রশ্নও উঠেছে।
এবিষয়ে কারা উপ মহাপরিদর্শক জনাব কামাল হোসেন নিশ্চিত করেন,অভিযোগের বিষটি সত্যতা নেই।তবে ভাড়া পালনের বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান তিনি।

শেয়ার করুন: 📘 Facebook 𝕏 Twitter
Mijanur Rahman
Mijanur Rahman
ক্রাইম পেট্রোল নিউজের সংবাদদাতা।
সব লেখা দেখুন →

💬 মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

f 📲 𝕏