এইচ,এম আওলাদ
ক্রাইম রিপোর্টার
ক্রাইমপেট্রোল ইনভেস্টিগেশন
জেলা প্রতিনিধি- গোপালগঞ্জ।
শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ডিভাইস আসক্তির ভয়াবহতা, তাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে ব্যাপক ক্ষতি করছে। শিক্ষার্থীরা এখন প্রযুক্তির
মায়াজালে বন্দী এবং প্রযুক্তি ছাড়া অচল।অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে
তাদের মধ্যে বিষন্নতা, খিট খিটে স্বভাব, হঠাৎ রেগে যাওয়া, একা থাকতে ইচ্ছে করা, ভালো কথার বিরূপ প্রতিক্রিয়া,স্মৃতিশক্তি হ্রাস, মানষিক উন্মাদনা, স্কুলে যেতে ইচ্ছে না করা,
চোখের সমস্যা, লেখা পড়ায় মনোযোগ না দেওয়া, ঘুম কম হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা গেছে
পরবর্তীতে দেখা যায় নিজে নিজেই সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে, তখন সে উপায় না খুঁজে পেয়ে বিভিন্ন অকারেন্সে জড়িয়ে পড়ে। যদিও উন্নত বিশ্বে বিষয়টি খুব সতর্কতার সহিত তারা ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে কেয়ার নিচ্ছে। কারণ উন্নত বিশ্বে যদি মা-বাবার বিরুদ্ধে কোন সন্তান পুলিশকে বা সরকারকে অভিযোগ করে সেই ক্ষেত্রে মা বাবার বিরুদ্ধে সরকার শক্তভাবে অবস্হান নেয়। এজন্য যে কোনো বিষয় হউক’না কেনো
মা বাবারা খুব যত্নের সহিত দেখছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্নতা রয়েছে, কারন আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা
বাবা মার কাছে জেদ করে আবদার করলেই সবকিছু পায়। আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া, গণচীন, ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, সহ আরো কিছু দেশ স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্মার্টফোনের আসক্তি রোধ এবং পড়াশোনার ব্যাঘাত কমানো। তদ্রুপ বাংলাদেশ সরকারের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে আমি মনে করি। আমরা যেন সন্তানের অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে খেয়াল রাখতে পারি এবং বিরত রাখার চেষ্টা করি, কারণ আমাদের সন্তান আমাদের ভবিষ্যৎ ও বাংলাদেশের সম্পদ।
ছাত্র ছাত্রীদের অমনোযোগী হওয়ার নেপথ্য ও ভয়াবহতা
