মোঃ সোহেল আমান রাজশাহী ব্যুরো চীপ: মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজিবির সদর দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জুড়ে অবৈধ গরু পারাপার গোলা বারুদ, অস্ত্র, হিরোইন মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেটের সাথে জোহরপুর বিউপি ও জহরপুর টাকের ক্যাম কমেন্ডার, স্পেশাল কমান্ডার, A C P সহ প্রতিটি সদস্য মাদক কারবারিদের সাথে জড়িত অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং তারা কি আওয়ামী লীগের দোসর কিনা বিষয়টি তদন্ত করে ইমারজেন্সি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তাদেরকে রীতিমত ডকুমেন্ট দেওয়ার পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তাহলে বুঝা যাচ্ছে বিজিবি সদস্য পাবলিকের সাথে এই ব্যবসার কাজে জড়িত । এক সপ্তাহের মধ্যে ডকুমেন্ট সহকারে বিজিবির র সদর দপ্তরে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে ।
বিজিবির নৌকার মাঝি রাকিব সেই নৌকায় গরু, হিরোইন, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ পারাপার করে ।
সাত রসিয়া ও কালুপুর গ্রাম থেকে এক কিলোমিটার ভারতের মধ্যে গরুগুলো চড়ে ১৯/৭ S এবং ১৬/১. ২. ৩ পিলার অতিক্রম করে ।
সাত রসিয়া গ্রামের মাথায় এবং কালপুরের গ্রামের মাথায় গাভী গরুগুলো দুধ এখানে দোহাই মোট গরু চড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার। এক মাস চড়বে তার বিনিময়ে প্রতি গরু থেকে ৫০০ টাকা নিবে মোট টাকার পরিমান হচ্ছে পাঁচ লক্ষ্য থেকে ৬ লক্ষ টাকা এই টাকার ভাগ পাই সাদেক এর মাধ্যমে নাজির চেয়ারম্যান এবং ক্যাম্প কমান্ডার ।
গেটের সামনে সাদেকের দুইজন রাখাল যারা গরু গুলু চড়াই এভাবে প্রতিদিনই দুধ আসে । ওই গরুর পালের সাথে প্রতিদিনই গরু ভারত থেকে নিয়ে আসে তার সাথে অস্ত্র গোলাবারুদ হিরোইন প্রতিদিনই আসে ।
আজ সকাল শুক্রবার ১৪/৮/২০২৬ ৫ টার পর ইনফরমেশন দেওয়ার পরেও কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না বিজিবি । আজকে ভোর পাঁচটায় পর ১০০ গরুর উপরে এবং স্কাফ সিরাপ ও হিরোইন পারাপার হয়েছে বিজিবিকে তথ্য প্রদান করার পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই ।
বাখর আলী ক্যাম্প, চর বাগডাঙ্গা ক্যাম্প, ফরিদপুর ক্যাম্প
সব ক্যাম্পের অফিসার এবং সদস্য সহ সবাই বলে ধারনা। জড়িত সবাইকে জরুরী ভিত্তিতে তাদেরকে অপসারণ করা হোক।
