জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালীঃ
আজ ১৫ আগস্ট বিএনপির প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মদিন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই নেএী গনতন্ত্রের আন্দোলন, সংসদীয় সরকার ব্যবস্হা পুনঃপ্রবর্তন এবং দেশের আর্থ -সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগের সংঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বাধীন সরকার সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্হা পুনঃপ্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তার সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে ছিল অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষায় বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগে, ছাএীদের উপবৃওি এবং শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য’কর্মসূচি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নারী শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসারেও তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ছিল।
অবকাঠামো ও অর্থনীতির ক্ষেএে ও তার সরকারের সময়ে যমুনা বহুমুখী সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু,বেসরকারি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যােগ এবং যোগাযোগব্যবস্হা উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ পলিথিন নিষিদ্ধকরন ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিও উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে আলোচিত।
২০০১ সালে আবারও প্রধানমন্ত্রী হয়ে তার সরকার শিক্ষা, শিল্প, টেলিযোগাযোগ, রপ্তানি প্রবাসী আয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধি, ছাএীদের জন্য শিক্ষা সহায়তা এবং নারী শিক্ষার প্রসারেও বিভিন্ন উদ্যােগ নেওয়া হয়।
রাজনৈতিক জীবনে নানা আন্দোলন, মামলা,কারাবাস ও প্রতিকুলতার মুখোমুখি হওয়ায় সমর্থকদের কাছে বেগম খালেদা জিয়া আপোসহীন নেএী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের গনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
সাবেক এই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রুহের মাগফেরাত কামনা করে মসজিদে মসজিদে মিলাদ মাহফিলের ব্যবস্থা করা হয়।
